Thursday, August 29, 2013

ভাঙ্গন আসন্ন

ভাঙ্গন আসন্ন, অন্ধকারের রাশ উৎসব-
স্বপ্নের সমাধিতে নৈরাশ্যের ভার
নাগরিক অন্ধত্বে পথভ্রষ্ট হাজারো বঞ্চিত
এখানে বাতাসের গন্ধে দাসত্বের বিষ।
এখানে অন্তহীন প্রতিধ্বনিত হয়
ধর্ষিতার আর্ত- চিৎকার।
এখানে অন্ধকারের জাল বুনে যায়
নৈরাজ্যের হিংস্র হাত। তাই মুক্তির প্রণোদনা
এখানে বিলাসিতাময় বিলাপ।
ভাঙ্গন আসন্ন আজ। মূল্যবোধের ভাঙ্গন,
চেতনার দৃপ্ততার ভাঙ্গন, স্বাধিনতায় ভাঙ্গন,
প্রসূতির অকাল গর্ভপাতে রক্তের ভাঙ্গনের
মতো ভাঙ্গন, ছেয়ে যায় ধরা স্বার্থের বিসাক্ত
বাতাসে। একতা নয়, ঐক্যহীন তথাকথিত
ছিমছাম সুবাতাস গায়ে জড়িয়ে প্রতিনিয়ত
মানুষ পান করে যায় শৃঙ্খলের গড়ল।
ভাঙ্গন আসন্ন আজ । তাই অন্ধকার ডানা ঝাঁপটায়
হিংস্র বিকট উন্মত্ততায়।

Monday, June 24, 2013

হাসি রা হারিয়ে যায়...

কোন এক প্রভাতে রুদ্রনীল প্রকৃতি
প্রাণ পেলো তোমার আবির্ভাবে।
শত শত কবিতা গান হলো তোমার সুরের ছন্দে
ইচ্ছের রঙ্গে রঙিন চিত্ত- তোমার হাসির মুগ্ধতায়।

ঝড় এলো, পাণ্ডুলিপি ছিন্নভিন্ন হলো।
স্বপ্ন ধেকে গেলো দুঃস্বপ্নের ছায়ায়,
বিষাদের খরতাপে আবার দগ্ধ হয় প্রাণ-
হাসি হারিয়ে যায়, হাসি রা হারিয়ে যায়।

Thursday, June 6, 2013

তুমি আমি ক্যাম্পাস আর...

আমার তখন বখাটে গড়ন- সিগারেট ঠোঁটে গুঁজে
তোমার তখন তপ্ত উনিশ, স্বপ্ন দুচোখ বুজে...
সঙ্গী তখন ক্যাফেটেরিয়া, নিত্য উদাস বিকেল
তোমার তখন খেয়ালী মনে শত যাতনার উদ্বেল।
ছিল সন্ধ্যা, টিএসসি আর চৌরঙ্গীর মোহনা,
তোমার ছিল কফির চুমুক- দৃষ্টি জুরে প্রেরণা।
আমার ছিল দৃপ্ত শ্লোগান, কন্থে মাদকতা,
তুমি মিশে ছিলে অভিমানে ছিল অনুযোগ কথকতা।
মৌন বিকেলে অমর একুশে, গোধূলি বেলায় প্রান্তিক,
মুঠোয় মুঠোয় আবেগ গাথা দুটি প্রানে ঐকান্তিক।
ট্রান্সপোর্টের আড্ডা আর তোমার এলোকেশে উচ্ছ্বাস-
দ্রোহের কাব্য, জাগরণী গান, তাসের আসরে উল্লাস।
ক্লাসেতে বসে পেছন সারিতে চিঠি লেখালেখি ধুম,
হেঁটেছি কতনা হাতটি ধরে বৃষ্টিতে রুমঝুম।
স্পর্ধার যত অবাধ্যতায় আমার উষ্ণ চুম্বন,
তোমার কভু দুরু দুরু বুক, কখনো বা দৃঢ় আলিঙ্গন।
আমার ছিল বেকার জীবন, কিছুটা সম্ভাবনা,
চাইলে হঠাৎ  নিশ্চয়তা, " অকুলে ভাসবনা"!
রুঢ় বাস্তবে আজ দূরে তুমি, সাথী মোর আজো সিগারেট,
এসে দেখো তবে দেখতে  পাবে- কাঁদে আজো ডেইরি গেট।

Wednesday, May 29, 2013

ভুল করেছিলে মাস্টার দা

হাওয়ায় উড়ছে উড়ছে-
এগলি থেকে ও গলি।
এর হাত থেকে ওর হাত।
একটি রঙ্ঘিন সার্ট।
রক্তিম নয় রক্তাক্ত।
তাই নিয়ে আজ রাজনীতির স্ট্রেটেজিক হাতবদল।।
হ্যাঁ মাস্টার দা,
এ তোমারই আদর্শের রক্ত,
ঘৃণ্য নেতার নিকৃষ্ট রাজনৈতিক হাতিয়ার।
হাহাহা মাস্টার দা, বিপ্লব দীর্ঘজীবী হয়না,
স্বার্থের কাছে মাথা নুয়ে প্রলম্বিত হয়।
এখন বিপ্লবীর বড় যুদ্ধ- প্রতিক্ষা।
বিপ্লবীর রক্তমাখা সার্ট
 আজ নেতার স্বার্থরক্ষার টিস্যুপেপার।
ভুল করেছিলে মাস্টার দা,
এ সার্ট উরবেই অনন্তকাল,
এগলি থেকে ওগলি,
এহাত থেকে ওহাত।

Thursday, April 11, 2013

তুমি বিপ্লবী প্রেমের কবিতা

স্নিগ্ধ তব ওই হাসিমুখ
চিত্তহারা প্রানে জমে সুখ
ওড়না ঢাকা বক্ষ তোমার
অবাধ্য হয় দৃষ্টি আমার
বাসনা জড়ানো ওষ্ঠ দেখি
হৃদ কাননে ভালোবাসা আঁকি
উড়ছে মন আজ কোন ব্যকুলে
ওই প্রশস্ত কটির দোলে
কুরুচি বাসনা পায় না কো ঠায়
প্রেম জাগে তব মাধুর্যতায়
অম্লান তুমি তুমি সুস্মিতা
তুমি বিপ্লবী প্রেমের কবিতা

Tuesday, April 2, 2013

মিসেস দে

কবেকার কোন প্রভাতের শারদীয় উদ্ভাসে
শিশির ছোঁয়া আদ্র গোলাপ পাপড়ি,
নগ্ন পায়ের চপল ছন্দে অনুভূতি ছড়িয়ে যায়
কাব্যে কাব্যে, প্রভাতীর স্বপ্নীল আলোয় আঁকা
ভালোবাসার ক্যানভাস, সেই সুস্মিতার হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া হাসি
কড়া নাড়ে চিত্তে কাব্য হয়ে।

অসংখ্য কবিতা,
মনে হয় পৃথিবীর সব ফুলের পাপড়িতে
গেঁথে থাকুক সেই সুস্মিতার হাসি,শারদীয় প্রভাতের রৌদ্রজুড়ে
তার স্পন্দিত উল্লাস জন্ম দিতো সুর, উষ্ণ ঠোঁটের তীব্র যাতনায়
কবি হয়ে যেত বিপ্লবী ,প্রেম আর দ্রোহের ছন্দে।

আজ কোন এক শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রেস্তোরাঁয়
শারদীয়  সতেজতা নেই,আছে নিয়ন আলোর আবছা মৌনতা
ব্যস্ত সময়ের অশান্ততায় অবসন্ন মন আজ কবিতা গড়ে না,
আঁকে না কোন সুস্মিতার উন্মুক্ত বক্ষের স্বপ্নাতুর অনুভূতি,

ঘড়ির কাঁটা ঘুরছে ঘুরছে।
পাশের টেবিলে চেনা মুখ, চেনা হাসি, শুধু
অপরিচিত সময়।
উঠে যাওয়ার আগে একটা সম্বধন কানে আসলো-
ধন্যবাদ মিসেস দে, মৃদু হাসলাম।

এগিয়ে চললাম একা। হয়তো একটা হাত সামনে এসেও
আওভান না করে গুঁটিয়ে গেলো,
মিসেস দে বর্তমান হয়ে থাক পৃথিবীর কাছে,
সুস্মিতার স্মৃতি চির অম্লান থাক-
পান্দুলিপির কাব্যে কাব্যে, ডায়েরির  প্রতিটি অক্ষরে।
সময়ের ব্যবধান-
হাহাহা মিসেস দে।











Wednesday, February 13, 2013

বিপ্লবের গান


জেগে ওঠো আজ মানব সমাজ, জেগে ওঠো সব প্রাণ
৭১ এর ঘাতক দালাল হোক তার অবসান।
আজ প্রজন্ম চত্বরে
জেগেছে তরুন কত্তরে-
শত কবিতার শব্দাবলী হয়েছে অঙ্গীকার।
মুক্তির সুর রাঙিয়ে এবার বাজবে এই গীটার।
তুই রাজাকার, তুই রাজাকার।
বাংলা ছাড়। বাংলা ছাড়।
শ্লোগান , গান আর গণসংগীতে
জাগো অপশক্তির বিপরীতে
শত বাঙ্গালীর রক্ত দানে ক্রিত এ স্বাধীনতা
নর পিশাচের ফাঁসির দাবীতে জাগ্রত জনতা।
লাল সবুজের পতাকা আজ চেতনা আমার
রক্ত দিয়ে রাখবো যে মান অর্জিত স্বাধীনতার...
তুই রাজাকার, তুই রাজাকার।
বাংলা ছাড়। বাংলা ছাড়।